বিজ্ঞাপনটিতে সুইনিকে প্রচলিত পোশাকের পরিবর্তে ফুটবল, টেনিস র্যাকেট ও বাস্কেটবল হুপের মতো ক্রীড়া সরঞ্জামের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশ আড়াল করতে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও সমালোচনা।
অস্ট্রেলিয়ার চারবারের অলিম্পিক সোনাজয়ী সাঁতারু আরিয়ার্ন টিটমাস প্রকাশ্যে বিজ্ঞাপনটির সমালোচনা করেছেন। তার মতে, যারা বছরের পর বছর পরিশ্রম করে ক্রীড়াক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা ও অর্জন তৈরি করছেন, এমন বিজ্ঞাপন তাদের সেই সাফল্যকে আড়াল করে নারীর শরীরকেই মূল আকর্ষণ হিসেবে সামনে নিয়ে আসে।
মার্কিন জিমন্যাস্ট গ্রেসি ক্রেমারও বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানান। নিজের ক্রীড়া-সাফল্যের একটি ভিডিও প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, খেলাধুলায় নারীদের উপস্থাপনের জন্য এমন ধরনের দৃশ্য কেন প্রয়োজন।
অলিম্পিক রৌপ্য পদকজয়ী মার্কিন ডাইভার ক্যাসিডি কুকও ক্রেমারের বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
অস্ট্রেলীয় স্প্রিন্টার ব্রি রিজো বলেন, নারী ক্রীড়াবিদদের পরিচয় শুধু তাদের চেহারা দিয়ে নির্ধারিত হয় না। তাদের শক্তি, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস, নিষ্ঠা এবং অর্জনই ক্রীড়াঙ্গনে তাদের পরিচয়ের মূল ভিত্তি।
বিজ্ঞাপনটির সমালোচনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার স্কাই নিকলসনও। তার বক্তব্য অনুযায়ী, খেলাধুলার কারণে একজন ক্রীড়াবিদ আকর্ষণীয় দেখাতে পারেন এটি এক বিষয়; কিন্তু খেলাধুলাকে বাজারজাত করার জন্য যৌনতাকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
ফলে সিডনি সুইনির বিজ্ঞাপনটি এখন শুধু বিনোদন বা বিজ্ঞাপনের বিষয় হয়ে থাকেনি; নারী ক্রীড়াবিদদের কীভাবে গণমাধ্যম ও বাণিজ্যিক প্রচারণায় উপস্থাপন করা উচিত, সেই পুরোনো বিতর্ককেও নতুন করে সামনে এনেছে।












