সৌন্দর্য, আত্মবিশ্বাস ও প্রতিভার সমন্বয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন ২’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। প্রতিযোগিতার মিস বিভাগে বিজয়ী হয়েছেন সুমি রানি এবং মিসেস বিভাগে সেরার মুকুট জিতেছেন ফারহানা হোসেন বিথি। একই আয়োজনে ‘মিস আর্থ বাংলাদেশ ২০২৬’-এর বিজয়ী হয়েছেন নওরিন নাওয়ার অরিত্রি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বসে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। এতে অংশ নেওয়া প্রতিযোগীরা র্যাম্প ওয়াক, ফ্যাশন উপস্থাপনা ও বিভিন্ন পর্বে নিজেদের ব্যক্তিত্ব, সৌন্দর্য এবং প্রতিভা তুলে ধরেন। বাছাই ও গ্রুমিংয়ের একাধিক ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত মঞ্চে জায়গা করে নেন তাঁরা।
মিস বিভাগে সুমি রানির পর প্রথম রানারআপ হয়েছেন রওনক তাসনিম ঐশী এবং দ্বিতীয় রানারআপ সাবরিনা নাহার মহিমা। অন্যদিকে, মিসেস বিভাগে ফারহানা হোসেন বিথির পর প্রথম রানারআপ হয়েছেন জন্নাতুল ফেরদৌস কেয়া। দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন সায়মা হাসিবা অপূর্ব।
এবারের আয়োজনের বিচারক প্যানেলে ছিলেন চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, অভিনেতা ও মডেল অন্তু করিম, এশিয়া জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা তাসনুভা খান এবং নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন মডেল ও কোরিওগ্রাফার তানজিল জনি এবং কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রতিযোগিতাটির প্রধান উপদেষ্টা রাজু আলীম। এ সময় বিজয়ীদের নিয়ে নতুন সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেন তিনি। ফলে প্রতিযোগিতার মঞ্চে মুকুট জয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্রে কাজের সম্ভাবনাও তৈরি হলো বিজয়ীদের সামনে।
‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’ আয়োজনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন এবং সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মলি আক্তার। এবারের আয়োজনের বোর্ড অব ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইবনে সাঈদ অঙ্কুর, বারিশা হক ও মাজহার সুমন।
সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব ও প্রতিভা তুলে ধরার এই আয়োজনে বিজয়ীদের সামনে এখন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। বিশেষ করে বিজয়ীদের নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণাটি তাঁদের পরবর্তী পথচলা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করতে পারে।












