ডিজে আভিলা নামেই বেশি পরিচিত আভিলা ইসলাম। ক্যারিয়ারের শুরুতে বিভিন্ন ধরনের সংগীত নিয়ে কাজ করলেও পরবর্তী সময়ে আন্ডারগ্রাউন্ড টেকনো সংগীতকে নিজের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়মিত পারফর্ম করেছেন তিনি। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে তাঁর সংগীত পরিবেশনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর ক্যারিয়ারে দেশের বাইরের ৩০০টির বেশি আয়োজনে পারফর্ম করার অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংগীতের পাশাপাশি নারীদের জন্য কাজ করতেও সক্রিয় আভিলা। ইলেকট্রনিক সংগীতের সঙ্গে যুক্ত নারীদের পেশাগতভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘শিকিউ হাউস’। প্ল্যাটফর্মটি ইলেকট্রনিক সংগীতের সঙ্গে যুক্ত নারীদের জন্য কাজ করে।

এবার তাঁর ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়েছে নতুন অধ্যায় সুন্দরী প্রতিযোগিতা। ‘মিস ইকো বাংলাদেশ ২০২৬’ হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর মিস ইকো ইন্টারন্যাশনালের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পান তিনি। আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোও তাঁকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেছে।

আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে আভিলার পোশাকেও ছিল বাংলাদেশের সংস্কৃতির ছাপ। জাতীয় পোশাকের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন পয়লা বৈশাখের ভাবনায় লালপাড় সাদা তাঁতের শাড়ি। অন্যদিকে রাজশাহী সিল্কের হলুদ-সোনালি গাউনেও দেখা গেছে তাঁকে। মিস ইকো বাংলাদেশের লুকে বরফ-নীল গাউন, ভেইল ও ঐতিহ্যবাহী গয়নায়ও নজর কেড়েছেন তিনি।

আভিলার ফ্যাশন ভাবনায় যেমন রয়েছে আধুনিকতার ছাপ, তেমনি আছে বৈচিত্র্য। কখনো লেদার করসেট ও ফ্রিঞ্জ কেপ, কখনো ঝলমলে মিনিড্রেস; আবার কখনো সাধারণ টপ ও জিন্সে দেখা যায় তাঁকে। ডিজে সেটের সময়ও পোশাক নির্বাচনে নিজের আলাদা স্টাইল ধরে রাখেন এই ফ্যাশনিস্তা। মিশরে আন্তর্জাতিক আয়োজনের অংশ হিসেবেও আভিলার উপস্থিতি নজর কেড়েছে। পিরামিডের সামনে সাদা পোশাকে তাঁর ছবি যেমন আলোচনায় এসেছে, তেমনি বিভিন্ন গ্ল্যামারাস লুকও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের নজর কেড়েছে।

একদিকে টেকনো সংগীতের মঞ্চ, অন্যদিকে ফ্যাশন ও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক পরিসর দুই ভিন্ন জগতেই নিজের পরিচয় তৈরি করছেন আভিলা ইসলাম। বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে ডিজে হিসেবে পরিচিত এই শিল্পীর ক্যারিয়ারে ‘মিস ইকো বাংলাদেশ ২০২৬’ তাই যোগ করেছে একেবারেই নতুন মাত্রা।












