বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ব্ল্যাক কফি পান করলেই উল্লেখযোগ্য ওজন কমে না। তবে ওজন কমানোর পরিকল্পনায় এটি সামান্য সহায়ক হতে পারে। ব্ল্যাক কফিতে থাকা ক্যাফেইন সাময়িকভাবে শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রম বাড়াতে পারে এবং কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ক্ষুধা কিছুটা কমাতে পারে। ফলে কম ক্যালরির খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামের সঙ্গে ব্ল্যাক কফি অভ্যাস করলে সামান্য উপকার পাওয়া যেতে পারে।

তবে এর প্রভাব তাৎক্ষণিক নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কফি পান করার কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস পর সামান্য পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। কিছু গবেষণায় শরীরের চর্বি কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও মোট ওজনে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি।

২০২৪ সালের একটি গবেষণাতেও ১২ সপ্তাহ নিয়মিত কফি পান করার পর শরীরের চর্বির পরিমাণ সামান্য কমার তথ্য পাওয়া যায়। তবে অংশগ্রহণকারীদের মোট ওজনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।
এবার আসা যাক পেটের চর্বির কথায়।
ব্ল্যাক কফি সরাসরি পেটের মেদ বা ভুঁড়ি কমায়—এমন প্রমাণ নেই। ক্যাফেইন সাময়িকভাবে চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশের চর্বি আলাদাভাবে কমানো সম্ভব নয়।

তাই ওজন কমাতে চাইলে শুধু ব্ল্যাক কফির ওপর নির্ভর না করে সুষম ও কম ক্যালরির খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত ঘুমের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
সবশেষে বলা যায়, ব্ল্যাক কফি হতে পারে ওজন কমানোর পরিকল্পনার ছোট একটি সহায়ক অভ্যাস, কিন্তু এটি কোনো ম্যাজিক ড্রিংক নয়।











