‘দিস ইজ ইওর শট’ ভাবনাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে এই আয়োজন। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রকল্প নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত প্রতিটি প্রকল্প নির্মাণের জন্য নির্ধারিত অর্থ পাবে। শুধু অর্থায়ন নয়, নির্বাচিত নির্মাতাদের জন্য থাকবে মেন্টরশিপ ও ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগও।
আয়োজকদের মতে, বিজ্ঞাপন নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত নির্মাতাদের নিজেদের মৌলিক গল্প নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অ্যাডফার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত বলেন, নির্মাতাদের নতুন গল্প ও প্রতিভার অভাব নেই; প্রয়োজন শুধু কাজ করার সুযোগ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা। সেই জায়গা থেকেই নতুন কণ্ঠ ও গল্প খুঁজে বের করে পর্দায় আনার লক্ষ্য তাঁদের।

এই আয়োজনে অ্যাডফা কমিউনিটির যোগ্য নির্মাতারা এককভাবে কিংবা দলগতভাবে প্রকল্প জমা দিতে পারবেন। তবে প্রকল্পটি অবশ্যই ফিকশন হতে হবে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য হতে হবে ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে। গল্পের ভাষার ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ স্বাধীনতা। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাদেশের যেকোনো আঞ্চলিক ভাষায় প্রকল্প জমা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। ঘরানার ক্ষেত্রেও থাকছে না কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা।
আবেদনের জন্য একটি পিডিএফ ফাইলে প্রকল্পের শিরোনাম, সর্বোচ্চ ৫০ শব্দের লগলাইন, ১ হাজার শব্দের মধ্যে গল্প বা সিনপসিস, সর্বোচ্চ ৩০০ শব্দের ডিরেক্টরস নোট, জনর ও সম্ভাব্য দৈর্ঘ্যের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় তথ্যও জমা দিতে হবে। চাইলে ভিজ্যুয়াল রেফারেন্স কিংবা নির্মাতার আগের কাজের লিংক যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু গল্পের ধারণাই নয়, নির্মাতার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও গল্প বলার সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি গল্পটির সিনেমাটিক সম্ভাবনা এবং নির্ধারিত বাজেট ও সময়ের মধ্যে সেটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব কি না এসব বিষয়ও বিবেচনায় থাকবে।
অ্যাডফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচিত নির্মাতারা অর্থায়নের পাশাপাশি অভিজ্ঞদের মেন্টরশিপ ও চলচ্চিত্র উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে বিজ্ঞাপন নির্মাণের অভিজ্ঞতার বাইরে নিজেদের গল্পকে চলচ্চিত্রের ভাষায় তুলে ধরতে আগ্রহী নির্মাতাদের জন্য এটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম।
আগ্রহী নির্মাতাদের ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। পাঁচটি প্রকল্পকে ঘিরে এই আয়োজন থেকে শেষ পর্যন্ত কেমন গল্প ও চলচ্চিত্র সামনে আসে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।












