কণ্ঠ চুরি, ভুয়া ভিডিও, অনলাইন হেনস্তায় তারকারা

UPDATE

কখনো বলেননি এমন কথা, অথচ ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে নিজের কণ্ঠ। যে গান কখনো গাওয়াই হয়নি, সেটিতেও অবিকল কণ্ঠস্বর। পর্দায় দেখা যাচ্ছে পরিচিত মুখ, কিন্তু সেই মুখের অভিব্যক্তি, ঠোঁটের নড়াচড়া আর কথার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারে এভাবেই তৈরি হচ্ছে ভুয়া ভিডিও ও গান। আর এসব কনটেন্টের কারণে প্রশ্নের মুখে পড়ছে তারকাদের ব্যক্তিগত মর্যাদা, পেশাগত পরিচয় ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা।

বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনেও বাড়ছে এমন ঘটনা। অভিনেত্রী সাবিলা নূর, মেহজাবীন চৌধুরী, সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী জেফার রহমান, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির এবং সংগীতশিল্পী তাসরিফ খানের ছবি কিংবা কণ্ঠ ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট। কোথাও পরিচিত মুখকে দিয়ে আপত্তিকর কথা বলানো হচ্ছে, কোথাও আবার শিল্পীর কণ্ঠ নকল করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভুয়া গান।

দর্শকের কাছে এসব ভিডিও কখনো হাস্যরসের উপকরণ হয়ে উঠলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য পরিস্থিতি মোটেও তেমন নয়। কারণ, কয়েক সেকেন্ডের একটি ভুয়া ভিডিও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়তে পারে হাজারো মানুষের কাছে। পরে সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে একজন শিল্পীর সুনাম ও দীর্ঘদিনের অর্জিত পরিচিতি।

তারকাদের কণ্ঠে আপত্তিকর গান

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে মেহজাবীন চৌধুরী, সাবিলা নূর, জেফার রহমান ও সালমান মুক্তাদিরের ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁদের কণ্ঠ নকল করে একটি গানে আপত্তিকর বাক্য সংযোজনের ঘটনাও সামনে এসেছে। ভিডিওগুলো বিভিন্ন পেজে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা।

এ ধরনের ভিডিওর বড় সমস্যা হলো, অনেক দর্শক প্রথম দেখায় বুঝতে পারেন না যে কণ্ঠ কিংবা দৃশ্যটি কৃত্রিমভাবে তৈরি। পরিচিত মুখ ও পরিচিত কণ্ঠ একসঙ্গে থাকায় ভিডিওটি সত্যি বলে মনে হতে পারে। কেউ যাচাই না করেই সেটি শেয়ার করলে ভুয়া তথ্য আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

অন্যদিকে, এসব কনটেন্টকে নিছক মজা হিসেবে দেখার প্রবণতাও রয়েছে। কিন্তু কারও সম্মতি ছাড়া তাঁর পরিচিতি ব্যবহার করে আপত্তিকর বক্তব্য তৈরি করা হলে তা ব্যক্তিগত মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

তাসরিফের কণ্ঠে ভুয়া গান, আইনি পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত

এআইয়ের মাধ্যমে কণ্ঠ নকলের ঘটনায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন সংগীতশিল্পী তাসরিফ খানও। তাঁর একটি কনসার্টের ভিডিও ব্যবহার করে ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ শিরোনামে একটি গান ছড়িয়ে পড়েছে। গানটির কণ্ঠস্বর নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় অনেকে এটিকে তাসরিফের নিজের গান বলে মনে করছেন।

তাসরিফ জানান, শুরুতে ফেসবুকে রিপোর্ট করে গানটি সরানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে সেটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ এবং রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করেও কেউ কেউ গানটির সূত্র ধরে তাঁকে হেনস্তা করছেন।

তাসরিফ বলেন, গানটি কে তৈরি করেছেন কিংবা প্রথম কোথা থেকে ছড়ানো হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে শনাক্ত করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে বিষয়টি আইনি পথে মোকাবিলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে কনটেন্টটির উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করবে।

তিনি আরও জানান, যে কনসার্টের ভিডিও ব্যবহার করে গানটি ছড়ানো হয়েছে, সেটি হয়েছিল ঠাকুরগাঁওয়ে।

মানসিক চাপের কথা জানালেন সাবিলা

এআই দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিও নিয়ে নিজের পাশাপাশি সহকর্মীদেরও উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। ঢাকা পোস্টকে তিনি বলেন, এ ধরনের কনটেন্টের কারণে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি ও তাঁর অনেক সহকর্মী মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

সাবিলার মতে, বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

একজন অভিনয়শিল্পীর প্রকাশ্য উপস্থিতি, ছবি ও ভিডিও সাধারণত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহজেই পাওয়া যায়। সেই উপকরণ ব্যবহার করে কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করা প্রযুক্তিগতভাবে সহজ হয়ে উঠলে ব্যক্তিগত পরিচিতিই নতুন ঝুঁকির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে কোনো তারকার নামে মিথ্যা বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পক্ষে প্রতিটি ভিডিওর ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

জেফারের প্রতিক্রিয়া কী?

জেফার রহমানের ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করেও ছড়ানো হচ্ছে আপত্তিকর ভিডিও। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ না জানিয়ে নিজের কাজেই মনোযোগী থাকার কথা বলেছেন এই সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী।

জেফার বলেন, এসব ভিডিও যাঁরা তৈরি করছেন, তাঁরা এ ধরনের কাজই করছেন। তিনি নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

তারকাদের কেউ আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছেন, কেউ প্রকাশ্যে উদ্বেগ জানাচ্ছেন, আবার কেউ এসব উপেক্ষা করে পেশাগত কাজে মনোযোগ ধরে রাখছেন। তবে প্রতিক্রিয়া যাই হোক, অনুমতি ছাড়া তাঁদের পরিচিতি ব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরির সমস্যাটি থেকেই যাচ্ছে।

কীভাবে ছড়াল এসব ভিডিও?

তানজিম নূর ও সোহাগ সিদ্দিকীর নাম এসেছে এসব কনটেন্টের প্রচারের প্রসঙ্গে। তানজিম নূর নিজেকে সংগীত প্রযোজক ও র‍্যাপার হিসেবে পরিচয় দেন। যুক্তরাজ্যপ্রবাসী র‍্যাপার ও সংগীতশিল্পী সোহাগ সিদ্দিকীও সংশ্লিষ্ট কনটেন্টগুলোর সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁদের ‘আমার নেতা’ গানটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে তানজ প্রোডাকশনসের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে ওই গানের সঙ্গে কয়েকজন তারকার কণ্ঠ ক্লোন করে তৈরি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

গত ৮ অক্টোবর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি থেকে ভিডিওগুলো ছড়ানোর পর স্যাটায়ার ও অন্যান্য পেজেও সেগুলো শেয়ার করা হয়। এভাবে একই কনটেন্ট একাধিক পেজে ছড়িয়ে পড়ায় মূল উৎস শনাক্ত করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে কোনো কনটেন্টের প্রচার, শেয়ার কিংবা তৈরির সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও যথাযথ তদন্ত জরুরি।

ডিপফেক চেনার উপায় কী?

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিপফেক শনাক্তকারী বিভিন্ন টুলের সাহায্যে তারকাদের ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করে তৈরি ভিডিওগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে ঠোঁটের নড়াচড়া ও কণ্ঠস্বরের মধ্যে অসংগতি, মুখমণ্ডলের চারপাশে আলো-ছায়ার অস্বাভাবিকতা এবং মাথা ও ঘাড়ের নড়াচড়ায় অসামঞ্জস্যের মতো লক্ষণ পাওয়া গেছে। তাসরিফের কণ্ঠ ব্যবহার করে তৈরি গানটির অডিও পরীক্ষাতেও এআইয়ের মাধ্যমে কণ্ঠ ক্লোনিংয়ের ইঙ্গিত মিলেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তবে শুধু এসব লক্ষণ দেখেই কোনো ভিডিওকে নিশ্চিতভাবে ভুয়া বলা যায় না। উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি ডিপফেক অনেক সময় সহজে শনাক্ত করাও সম্ভব হয় না। তাই ভিডিওর উৎস, প্রকাশকারীর পরিচয়, মূল বক্তব্যের প্রেক্ষাপট এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

গবেষক ও ফ্যাক্টচেকার মিরাজ হোসেনের মতে, ভয়েস ক্লোনিং ও ডিপফেক মানুষের শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিকে একসঙ্গে প্রভাবিত করে। ফলে দর্শকের পক্ষে ভুয়া কনটেন্টকে সত্যি বলে ধরে নেওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে প্রযুক্তি ও গণমাধ্যম বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতি থাকলে এসব ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তাঁর পরামর্শ, কোনো ভিডিও দেখেই বিশ্বাস করা বা শেয়ার করার আগে ভাবতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সত্যিই এমন কথা বলেছেন কি না এবং পুরো ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য কি না। সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে ভিডিওটির উৎস যাচাই করা, নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির মতামত নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

ভুক্তভোগী হলে কী করবেন?

ডিপফেক বা কণ্ঠ নকল করে তৈরি কনটেন্টের শিকার হলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে প্রমাণ সংরক্ষণ করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট ভিডিওর লিংক, স্ক্রিনশট, প্রকাশের সময় এবং যে অ্যাকাউন্ট থেকে সেটি ছড়ানো হয়েছে, সেসব তথ্য রেখে দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে কনটেন্টটি রিপোর্ট করা এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

মিরাজ হোসেনের মতে, ভুয়া কনটেন্টের বিষয়ে ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা, অন্যদের সতর্ক করা এবং ভিডিওটি ছড়িয়ে না দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ভুক্তভোগী নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে কনটেন্টটি ভুয়া বলে জানাতে পারেন। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে যাচাই ছাড়া পাল্টা অভিযোগ না করাও জরুরি।

আইন কী বলছে?

বাংলাদেশ সাইবার পুলিশ সেন্টারের মিডিয়া সেলের শাফি উল্লাহ জানিয়েছেন, কারও অনুমতি ছাড়া কণ্ঠ, ছবি বা ভিডিও ক্লোন করে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারের ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের ঘটনার শিকার হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি বা মামলা করতে পারেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় থানা তদন্ত পরিচালনায় সক্ষম না হলে প্রয়োজন অনুসারে বিষয়টি পুলিশের বিশেষায়িত সাইবার বিভাগ বা সিআইডিতে পাঠানো হতে পারে। তদন্তে শুধু কনটেন্ট তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিই নন, বরং এর প্রচার ও শেয়ারের সঙ্গে যুক্ত অন্যদের ভূমিকাও বিবেচনায় আসতে পারে।

ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী মো. রিয়াজুর রহমান রায়হানের মতে, কারও অনুমতি ছাড়া এআইয়ের সাহায্যে তাঁর ছবি, কণ্ঠ বা ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ব্যক্তিত্বের অধিকার ক্ষুণ্ন করতে পারে। কনটেন্টের ধরন, উদ্দেশ্য এবং এর ফলে সৃষ্ট ক্ষতির ওপর নির্ভর করে মানহানিসহ বিভিন্ন আইনি প্রতিকারের সুযোগ থাকতে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে কপিরাইট আইনের বিষয়টিও বিবেচনায় আসতে পারে।

তবে কোন ঘটনায় কোন আইন প্রযোজ্য হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও ঘটনার প্রকৃতির ওপর। তাই ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ করে আইনজীবী কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রযুক্তির উন্নতি, বাড়ছে পরিচয় চুরির ঝুঁকি

এআই প্রযুক্তি বিনোদন, সংগীত ও চলচ্চিত্র নির্মাণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। একই প্রযুক্তির অপব্যবহার আবার কারও কণ্ঠ, মুখ কিংবা পরিচিতিকে তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে তারকাদের প্রকাশ্য ছবি ও ভিডিও সহজলভ্য হওয়ায় তাঁদের পরিচিতি ব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরির ঝুঁকি আরও দৃশ্যমান হচ্ছে।

এ সংকট মোকাবিলায় শুধু ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যকর অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, দ্রুত কনটেন্ট পর্যালোচনা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ডিজিটাল সচেতনতা তৈরি।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো ভিডিওতে পরিচিত মুখ বা পরিচিত কণ্ঠ শোনা গেলেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়া যাবে না। যাচাই ছাড়া শেয়ার করা মানে অজান্তেই কারও সম্মানহানির অংশ হয়ে ওঠা। প্রযুক্তির যুগে তাই কনটেন্ট দেখার পাশাপাশি তার সত্যতা যাচাই করার অভ্যাসও জরুরি।

You may also like

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *