‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ হওয়ার অপেক্ষায় কেয়া পায়েল

DramaUPDATE

পরে অবশ্য জানা যায়, বাস্তব জীবনের বিয়ের ঘোষণা নয়, এটি ছিল কেয়া পায়েলের প্রথম ওয়েব ফিল্ম ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’–এর প্রচারণা। জাহিদ প্রীতম পরিচালিত ছবিটি চরকি অরিজিনাল হিসেবে ৭ অক্টোবর রাত ১২টায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

ছবিটি মুক্তির সময় ঘনিয়ে আসতেই আবারও আলোচনায় এসেছে কেয়া পায়েলের সেই ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ পোস্ট। এবার নেটিজেনদের কৌতূহল অন্য জায়গায় পর্দার ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ যখন হচ্ছে, বাস্তবে কেয়া পায়েল কবে বিয়ের খবর দেবেন?

ব্যক্তিগত জীবনের এই প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন অভিনেত্রী। ওয়েব ফিল্মটির প্রচারণা উপলক্ষে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেয়া পায়েল জানিয়েছেন, বিয়ে অবশ্যই করবেন। তবে সময়টা তিনি ভাগ্যের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন।

অভিনেত্রীর কথায়, তিনি ভাগ্যে বিশ্বাস করেন। যখন বিয়ের সময় আসবে, তখন সবাই জানতে পারবেন। তবে তাঁর নিজেরই মনে হয়, বিষয়টি হয়তো একেবারেই হুট করে ঘটে যেতে পারে।

বিয়ে নিয়ে এমন কৌতূহলের মধ্যেও অবশ্য আপাতত কাজ নিয়েই ব্যস্ত কেয়া পায়েল। নাটকের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও ফ্যাশন রানওয়েতেও কাজ করছেন তিনি। অক্টোবরের শুরুতেই দেশের বাইরে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। তার আগে হাতে থাকা কাজগুলো শেষ করে নিতে ব্যস্ত এই অভিনেত্রী। দেশে ফেরার কথা অক্টোবরের শেষ দিকে।

এদিকে নাটকের পর এবার বড় পর্দা কিংবা ওয়েব ফিল্মে কেয়া পায়েলকে ভিন্ন চরিত্রে দেখার আগ্রহ তৈরি হয়েছে দর্শকদের মধ্যে। অনেক আগেই নানা ওয়েব ফিল্মের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। তবে পছন্দমতো গল্প ও চরিত্র না পাওয়ায় এতদিন সেভাবে কাজ করা হয়নি।

 

কেয়া পায়েলের কাছে শুধু নিয়মিত নাটকের মতো চরিত্রে অভিনয় করাই যথেষ্ট ছিল না। ওয়েব ফিল্মে কাজ করলে এমন কিছু করতে চেয়েছেন, যেখানে দর্শক তাঁকে পরিচিত গণ্ডির বাইরে দেখতে পাবেন। সেই জায়গা থেকেই ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ তাঁর কাছে বিশেষ হয়ে উঠেছে।

অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ছবিটির গল্প ও চরিত্রে তিনি এমন কিছু পেয়েছেন, যা তাঁকে দর্শকের সামনে নতুনভাবে তুলে ধরতে পারে। পাশাপাশি পুরো টিমের সহযোগিতাও তাঁর অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করেছে। বিশেষ করে পরিচালক জাহিদ প্রীতমের কাজের ধরন ও বিনয়ী আচরণের প্রশংসা করেছেন তিনি।

‘হ্যাপিলি ম্যারিড’–এ কেয়া পায়েলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। তাঁর মতো অভিজ্ঞ একজন অভিনেতার সঙ্গে কাজের সুযোগও ছবিটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে কেয়া পায়েলের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

শুভর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে কেয়া পায়েল জানিয়েছেন, শুরুতে কিছুটা নার্ভাস ছিলেন তিনি। তবে শুটিং শুরু হওয়ার পর সেই অস্বস্তি আর থাকেনি। আরিফিন শুভর পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব তাঁকে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে সাহায্য করেছে।

সব মিলিয়ে নিজের প্রথম ওয়েব ফিল্ম নিয়ে বেশ আশাবাদী কেয়া পায়েল। দর্শককে এবার নিয়মিত নাটকের পরিচিত অবয়বের বাইরে তাঁকে দেখার সুযোগ করে দিতে চান তিনি। আর বাস্তব জীবনের বিয়ের প্রসঙ্গে আপাতত তাঁর ইঙ্গিত সময় হলে খবরটা হয়তো সত্যিই একদিন হুট করেই চলে আসবে।

You may also like

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *