গ্রামীণ জীবন, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও স্থানীয় রাজনীতিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল ‘বকুলপুর’-এর আগের দুই সিজন। তালুকদার ও মন্ডল পরিবারের বিরোধকে ঘিরে এগিয়েছে সেই গল্প। প্রথম সিজন ২৬৪ পর্বে শেষ হওয়ার পর ২০২২ সালে শুরু হয় দ্বিতীয় সিজন, যা ২০২৪ সালে ৭৮৮ পর্বে শেষ হয়।
তৃতীয় সিজনে এসে বদলেছে নির্মাতার আসনও। আগের দুই সিজন পরিচালনা করেছিলেন কায়সার আহমেদ। এবার ধারাবাহিকটির দায়িত্ব নিয়েছেন নির্মাতা হাসান রেজাউল। তবে লেখক হিসেবে থাকছেন আহমেদ শাহাবুদ্দীন। নতুন সিজনটি আগের গল্পের সরাসরি ধারাবাহিকতা নয়। সম্পূর্ণ নতুন কাহিনি ও চরিত্র নিয়ে তৈরি হচ্ছে এবারের পর্বগুলো। তবে আগের দুই সিজনের বেশ কয়েকজন পরিচিত অভিনয়শিল্পীও থাকছেন নতুন গল্পে। নির্মাতা হাসান রেজাউলের কথায়, গ্রামীণ আবহ ঠিক থাকলেও এবার গল্প বলার ধরনে আলাদা কিছু করার চেষ্টা থাকছে। প্রেম ও সম্পর্কের পাশাপাশি পারিবারিক সংকট এবং গ্রামের রাজনীতিও উঠে আসবে। সবচেয়ে বড় নতুন সংযোজন হিসেবে থাকছে যাত্রাপালা।
গল্পে দেখা যাবে, বকুলপুরের মানুষ যাত্রাপালার প্রতি বেশ আগ্রহী। সেই আগ্রহকে কেন্দ্র করে তৈরি হবে নতুন কিছু ঘটনা ও সংঘাত। গ্রামের পুরোনো দ্বন্দ্বের সঙ্গে যাত্রাপালার নানা বিষয় যুক্ত হয়ে তৃতীয় সিজনের গল্পকে আরও বৈচিত্র্যময় করবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। ‘বকুলপুর সিজন ৩’-এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন আজিজুল হাকিম, দীপা খন্দকার, তাহমিনা সুলতানা মৌ, শরাফ আহমেদ জীবন, সুষমা সরকার, সাইদুর রহমান পাভেল, উপমা, সিলভিয়া, মোস্তাফিজ শাহীন, আহমেদ গিয়াস ও পঙ্কজ মজুমদারসহ অনেকে।
ইতোমধ্যে প্রথম লটের শুটিং শেষ হয়েছে। বর্তমানে চলছে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই দীপ্ত টিভিতে প্রচার শুরু হবে ‘বকুলপুর সিজন ৩’।
এবারের সিজন কত পর্বে শেষ হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলতে চান না নির্মাতা। দর্শক যতদিন আগ্রহ নিয়ে ধারাবাহিকটি দেখবেন, ততদিন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শুধু পর্ব বাড়ানোর জন্য গল্পকে অযথা দীর্ঘ করবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি।












