ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের নতুন সিনেমা ‘দ্য ইকো চেম্বার’-এর প্রচারে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন ৭৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

সারান্ডনের দাবি, গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে কথা বলার পর তার ক্যারিয়ারে এর প্রভাব পড়ে। সাম্প্রতিক সময়েও কয়েকটি সিনেমার কাজ তার হাতছাড়া হয়েছে বলে জানান তিনি। কিছু এজেন্সি এখনো প্রযোজনা সংশ্লিষ্টদের তাকে নিয়োগ না দেওয়ার পরামর্শ দেয় বলেও অভিযোগ করেন অভিনেত্রী। তার মতে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এলেও বড় স্টুডিওগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলায়নি। বিশেষ করে ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান প্রকাশ্যে তুলে ধরা ব্যক্তিদের জন্য কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনো নানা বাধা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

তবে পেশাগত এই চাপের বিপরীতে আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থনে সন্তুষ্ট সারান্ডন। ‘দ্য ইকো চেম্বার’-এ অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিচালক আন্দ্রেয়া পাল্লাওরোর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে নিজের নতুন সহকর্মীদের নিয়ে কথা বলার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের করতালিও পান অভিনেত্রী।
ভেনিসেও আলোচনায় ফিলিস্তিন
এবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবেও ফিলিস্তিন প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। উৎসবে প্রদর্শিত কয়েকটি সিনেমায় ফিলিস্তিনিদের জীবন ও সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি উৎসবস্থলে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন অধিকারকর্মীরা।

সারান্ডন দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সোচ্চার। ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর একটি ফিলিস্তিনপন্থী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার পর তার দীর্ঘদিনের প্রতিভা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ইউটিএর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়।
এদিকে ‘দ্য ইকো চেম্বার’ নির্মিত হয়েছে ইতালীয় চলচ্চিত্রকার বের্নার্দো বের্তোলুচ্চির শেষ চিত্রনাট্যের ওপর ভিত্তি করে। সিনেমাটিতে একজন বয়স্ক গায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারান্ডন। ভেনিস উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার গোল্ডেন লায়নের জন্য প্রতিযোগিতায় থাকা ২১টি সিনেমার মধ্যে রয়েছে এটি। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পুরস্কার ঘোষণা হওয়ার কথা।












