৪ সেপ্টেম্বর ভারতে মুক্তি পেয়েছে ‘টক্সিক’-এর ইংরেজি সংস্করণ। নির্মাতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংস্করণের দৈর্ঘ্য ২ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট। অন্যদিকে কন্নড়সহ ভারতীয় ভাষার মূল সংস্করণের দৈর্ঘ্য ৩ ঘণ্টা ১৪ মিনিট ১২ সেকেন্ড। অর্থাৎ নতুন ইংরেজি কাটটি প্রায় ১৭ মিনিট ছোট। বিষয়টি আরও আগ্রহ তৈরি করেছে কারণ ইংরেজি সংস্করণটি কোনো সাধারণ ডাবিং নয়। ছবিটি শুরু থেকেই কন্নড় ও ইংরেজি দুই ভাষায় লেখা ও শুট করা হয়েছিল। পরে ভারতের অন্যান্য ভাষায় এর ডাব সংস্করণ মুক্তি দেওয়া হয়। ইংরেজি সংস্করণটি এর আগে ২৬ আগস্ট ভারতের বাইরের কয়েকটি বাজারে মুক্তি পেয়েছিল।

তবে নতুন সংস্করণে ঠিক কোন কোন দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়েছে, তা নির্মাতারা বিস্তারিত জানাননি। এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যশ ও কিয়ারা আধভাণী অভিনীত ‘তাবাহী’ গানটি ইংরেজি সংস্করণে রাখা হয়নি। তবে গানটি বাদ দেওয়ার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ছবিটির দৈর্ঘ্য কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দর্শকদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ছবিটি মুক্তির পর এর গল্প, সহিংস দৃশ্য এবং যশের চরিত্রকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। নতুন ইংরেজি কাটে কোন কোন অংশ রাখা হয়েছে আর কোনগুলো বাদ গেছে, তা নিয়ে তাই দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।

গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’-এ যশের সঙ্গে অভিনয় করেছেন নয়নতারা, কিয়ারা আধভাণী, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া ও রুক্মিণী বসন্ত। ছবিটির গল্প গড়ে উঠেছে ক্ষমতা, প্রতিশোধ, পরিবার, বিশ্বাসঘাতকতা ও অপরাধের আবহে। ২৬ আগস্ট ছবিটির মূল সংস্করণ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।
ইংরেজি সংস্করণের এই ছোট কাটকে নির্মাতারা আন্তর্জাতিক দর্শকের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা একটি আলাদা থিয়েট্রিক্যাল অভিজ্ঞতা হিসেবেই সামনে এনেছেন। ফলে একই ছবির দুই সংস্করণে ঠিক কী কী পার্থক্য রয়েছে, তা নিয়েও এখন আলোচনা চলছে।












