৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি প্রথম দিনে ভারতে নেট আয় করেছে আনুমানিক ২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। আর গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি। এই আয় দিয়ে ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া হিন্দি সিনেমাগুলোর মধ্যে উদ্বোধনী দিনের আয়ের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ছবিটি। এর আগে চলতি বছরে প্রথম দিনের আয়ে এগিয়ে রয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’, ‘টক্সিক’ ও ‘বর্ডার টু’। গুরমিত সিং পরিচালিত ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ হিন্দি ও তেলেগু ভাষায় মুক্তি পেয়েছে। প্রথম দিন ভারতে সিনেমাটির ১১ হাজার ১৩৫টি শো অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলিয়ে থিয়েটার অকুপেন্সি ছিল ৪২ দশমিক ৮১ শতাংশ। তবে রাতের শোগুলোতে দর্শকের উপস্থিতি ছিল আরও বেশি প্রায় ৬২ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

তিন ঘণ্টার বেশি দৈর্ঘ্যের সিনেমাটিতে ‘কালিন ভাইয়া’ চরিত্রে আবারও দেখা গেছে পঙ্কজ ত্রিপাঠীকে। সিরিজের পরিচিত চরিত্র গুড্ডু ও মুন্নাকেও ঘিরে এগিয়েছে গল্প। তবে বড় পর্দার সংস্করণে গল্পের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে নতুন চরিত্র, নতুন সংঘাত ও নতুন প্রতিপক্ষ। এবার কালিন ভাইয়ার ক্ষমতার জন্য বড় হুমকি হয়ে হাজির হয়েছে ‘বাবুয়া’ যাদব নামের এক মাদক ব্যবসায়ী। ফলে ক্ষমতা দখলের পুরোনো দ্বন্দ্ব এবার আরও বড় পরিসরে রূপ নিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পারিবারিক টানাপোড়েন, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, ঈর্ষা ও আনুগত্যের মতো বিষয়ও।

এনডিটিভির এক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, সিনেমাটি ‘মির্জাপুর’ সিরিজের মূল আবহ ধরে রেখেছে। তবে গল্পের বিস্তার ও নতুন সংঘাত সিনেমাটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাকশন ও নতুন চরিত্রের প্রশংসা থাকলেও গল্পের কিছু অংশ অনুমানযোগ্য বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সিনেমার শেষাংশে পরবর্তী কিস্তির সম্ভাবনার ইঙ্গিতও রাখা হয়েছে। ফলে প্রথম দিনের বক্স অফিস সাফল্যের পর এখন ‘মির্জাপুর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ভবিষ্যৎ নিয়ে দর্শকের আগ্রহ আরও বাড়তে পারে।












