রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল ইসলাম বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করছে না। মামলাটির তদন্ত অন্য একটি সংস্থা পরিচালনা করছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তের সময় কখনো কখনো অন্য কোনো ঘটনা বা ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য ও ক্লু সামনে আসতে পারে। সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজনের সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্রের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে পাওয়া তথ্য এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নজরদারি রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম বলেন, আরও তদন্তের পর যদি নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেওয়া হবে। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও তাঁর স্ত্রী মেহেরুন রুনি। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত শেষ হয়নি। এদিকে মামলাটির বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হবে কি না এমন প্রশ্নেরও ব্যাখ্যা দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম। তাঁর মতে, সাগর-রুনি হত্যা একটি ব্যক্তিগত হত্যাকাণ্ড বা ‘ইনডিভিজুয়াল মার্ডার কেস’। ফলে এর বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই হওয়ার কথা; আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার হওয়ার সুযোগ নেই।

তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ওই ব্যক্তিকে ঘিরে পাওয়া তথ্য শেষ পর্যন্ত কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তা নির্ভর করবে পরবর্তী তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের ফলাফলের ওপর।












