উৎসবটির ১৬তম আসরে ‘এশিয়ান আই কম্পিটিশন’ বিভাগে প্রতিযোগিতা করে সেরার স্বীকৃতি পায় ‘আলী’। চলচ্চিত্রটির প্রযোজক তানভীর হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাফল্যের খবর জানিয়ে তানভীর হোসেন লেখেন, ব্যাঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ‘এশিয়ান আই প্রতিযোগিতা’ বিভাগে বিজয়ী হয়েছে ‘আলী’। একই সঙ্গে উৎসবের আয়োজক ও জুরি বোর্ডের সদস্য হরিশ মাল্যা, রজত গোস্বামী ও সেন্থিল কুমারসহ চলচ্চিত্রটির পুরো দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এই অর্জনে নির্মাতা আদনান আল রাজীবও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
‘আলী’র গল্প আবর্তিত হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের এক কিশোরকে ঘিরে। সমাজের প্রচলিত লিঙ্গবৈষম্য, নানা সাংস্কৃতিক বাধা ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও সংগীতের জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করার স্বপ্ন দেখে সে। ব্যক্তিস্বাধীনতা ও নিজের ইচ্ছাকে অনুসরণ করার এই সংগ্রামের গল্পেই উঠে এসেছে আলীর জীবন ও স্বপ্ন। নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আল-আমিন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘আলী’র পথচলা অবশ্য নতুন নয়। এর আগে ২০২৫ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবের শর্ট ফিল্ম বিভাগে স্পেশাল মেনশন অর্জন করেছিল চলচ্চিত্রটি। সেই সাফল্যের পর এবার ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নিল সিনেমাটি।

একটির পর একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে ‘আলী’ শুধু নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীদের জন্যই নয়, বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। কান থেকে ব্যাঙ্গালুরু বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের যাত্রা তাই দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের জন্যও নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য অর্জন।












