সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সজীবের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও দীর্ঘদিনের স্মৃতিচারণ করেন তিনি।
দেওয়ান শামসুর রকিব জানান, সজীবের সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয় সামনাসামনি নয়, তাঁর নির্মিত নাটক ‘বিলোপ’-এর মাধ্যমে। নাটকটি দেখে মুগ্ধ হয়ে সজীবকে দেখা করতে বলেছিলেন তিনি। প্রথম সাক্ষাতেই সজীবের সরল ও অমায়িক ব্যবহারে মুগ্ধ হন।
তিনি আরও জানান, সজীব নিয়মিত বই পড়তেন এবং নাটকের পাশাপাশি বই লেখার প্রতিও তাঁর আগ্রহ ছিল। শুরু থেকেই ভিন্নধর্মী গল্প, ব্যতিক্রমী নাটকের নাম এবং নির্মাণে নিজস্বতার ছাপ রাখতেন সজীব।
হার্টের সমস্যায় অস্ত্রোপচারের পরও নাট্যনির্মাণে ফেরার অদম্য আগ্রহ ছিল তাঁর। অপারেশনের পর বাসায় থাকার সময়ও ফোন করে নতুন গল্প নিয়ে দেখা করতে চাইতেন। জমে থাকা গল্পগুলো শেয়ার করতেন এবং নাটকের পাশাপাশি গল্প ও সাহিত্য নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হতো।
দেওয়ান শামসুর রকিব লিখেছেন, সজীবের লেখা গল্পে নির্মিত নাটকও তিনি প্রচার করেছেন। শেষ দিকে কাজের পরিমাণ কমে গেলেও তাঁদের যোগাযোগ ও গল্প-সাহিত্য নিয়ে আলোচনা অব্যাহত ছিল।
সজীবের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি লেখেন, “সজীব নেই সকালে খবরটি শুনে খুব খারাপ লাগলো। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন… কী অদ্ভুত চলে যাওয়া!”












