মহিন খানের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত নাটকটি গত শুক্রবার ‘চয়েস ভিউ মিডিয়া’ ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। মুক্তির কয়েক দিনের মধ্যেই নাটকটি এক মিলিয়নের বেশি ভিউ অতিক্রম করেছে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারকে ঘিরে। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন আবুল হায়াতের অভিনীত চরিত্রটি। পরবর্তী সময়ে দুই স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে জায়গা-জমি ও সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে শুরু হয় বিরোধ। ধীরে ধীরে সেই বিরোধে তৈরি হয় পারিবারিক দূরত্ব এবং নষ্ট হতে থাকে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও মানবিক সম্পর্ক।
সম্পত্তির হিসাব-নিকাশে যখন পরিবারের সদস্যরা নিজেদের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়েন, তখনই গল্পটি জীবনের আরও কঠিন এক সত্যের দিকে নিয়ে যায়। মানুষের জীবনে অর্থ, সম্পদ ও অধিকারের জন্য যত লড়াইই থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত সবার ঠিকানা যে মাত্র সাড়ে তিন হাত মাটি নাটকটির মূল বার্তা উঠে এসেছে সেখানেই।

নাটকটি প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মন্তব্যে দেখা গেছে আবেগের বহিঃপ্রকাশ। অনেকেই বলছেন, গল্পটি বর্তমান সমাজের একটি কঠিন বাস্তবতাকে খুব কাছ থেকে তুলে ধরেছে। বিশেষ করে একজন বাবার নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার কষ্ট ও সন্তানের আচরণ দর্শকদের নাড়া দিয়েছে। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, নাটকটি দেখার পর বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও ভালোবাসার বিষয়টি নতুন করে উপলব্ধি করেছেন তারা। আবার অনেক দর্শক জানিয়েছেন, আবুল হায়াতের অভিনয় তাদের আবেগতাড়িত করেছে এবং শেষ পর্যন্ত চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

নাটকটিতে আবুল হায়াতের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তুহিন চৌধুরী, সুমাইয়া অর্পা, সেলজুক তারিক, মুহিত তামাল, নিশাত মনি, সিদ্দিক মাস্টার ও আকলিমা লিজাসহ আরও অনেকে।
দৃশ্যধারণের দায়িত্বে ছিলেন মো. সুজন। নাটকের আবহসংগীত নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার রাফাত। জীবনঘনিষ্ঠ গল্প, আবুল হায়াতের অভিনয় এবং আবেগঘন উপস্থাপনার কারণে অল্প সময়েই দর্শকদের আলোচনায় উঠে এসেছে ‘সাড়ে তিন হাত মাটি’।












