বিবৃতিতে বাদশাহ জানান, তিনি ও ইশা পারস্পরিক সিদ্ধান্তে নিজেদের পথ আলাদা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে পরস্পরের প্রতি সম্মান রেখেই। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয়টি নিয়ে সবাইকে গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ করেছেন তারা।
দুজনের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এটিই তাদের একমাত্র বক্তব্য। সম্পর্ক ভাঙার কারণ নিয়ে কোনো ধরনের জল্পনা বা অনুমান না করার জন্যও সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বাদশাহ ও ইশার সম্পর্ক দীর্ঘদিনই ছিল অনেকটা আড়ালে। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। পরে জুনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে ইশা নিজেই বাদশাহর সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা যায়, বিয়ের আগে প্রায় চার বছর সম্পর্কে ছিলেন তারা।
তবে জুলাই থেকে তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা শুরু হয়। ২৬ জুলাই ইশা বাদশাহর সঙ্গে নিজের কিছু ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি মন্টাজ প্রকাশ করেন। পোস্টটির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘প্রতিটি ঝড়ই একটি শিক্ষা, প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা।’ সঙ্গে ছিল ভাঙা হৃদয় ও প্রার্থনার ইমোজি। এরপরই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়।

এরপর সোমবার রাতে দুজনের যৌথ বিবৃতির মধ্য দিয়ে সেই জল্পনার অবসান হলো। তবে ঠিক কী কারণে তাদের সম্পর্কে ভাঙন ধরেছে, সে বিষয়ে বাদশাহ বা ইশা কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। বরং ভবিষ্যতে এ নিয়ে আর কোনো ধরনের অনুমান না করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
এটি বাদশাহর দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে জ্যাসমিন মাসিহকে বিয়ে করেছিলেন এই র্যাপার। ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। সাবেক এই দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
অন্যদিকে ইশা রিখি পাঞ্জাবি চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিংয়েও কাজ করেছেন তিনি। ‘জাট বয়েজ পুট জাট্টান দে’, ‘হ্যাপি গো লাকি’, ‘মেরে ইয়ার কামিনে’, ‘আড়দাস’সহ বেশ কয়েকটি পাঞ্জাবি সিনেমায় অভিনয় করেছেন ইশা। ২০১৮ সালে ‘নওয়াবজাদে’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রেও কাজ করেন তিনি।

বিয়ের পাঁচ মাসের মধ্যেই তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণায় বলিউড ও পাঞ্জাবি বিনোদন অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও, নিজেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে নারাজ এই সাবেক দম্পতি।












