‘ফেস অব টুমরো ২০২৬’-এর চ্যাম্পিয়ন রাইসা ও লাবণ

DramaEventsFilmsUPDATE

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। অডিশন, প্রশিক্ষণ ও বাছাইপর্ব পেরিয়ে চূড়ান্তভাবে ২০ জন প্রতিযোগী জায়গা করে নেন। তাঁদের মধ্য থেকেই চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হন রাইসা ও লাবণ। পুরস্কার হিসেবে তাঁরা পেয়েছেন পাঁচ লাখ টাকা।

প্রথম রানার্সআপ হয়েছেন সিফনা ও শৌমিক। তাঁরা পেয়েছেন তিন লাখ টাকা। আর দ্বিতীয় রানার্সআপ মুনমুন ও তমাল পেয়েছেন এক লাখ টাকা।

 

‘ফেস অব টুমরো’ আয়োজনটি মার্কেটার্স ৩৬০ ডিগ্রির ‘চলো ঘুরে আসি’ প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির লক্ষ্য শুধু নতুন অভিনয়শিল্পী খুঁজে বের করা নয়, তাঁদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পেশাদার কাজের সুযোগ তৈরি করা। এ জন্য নির্বাচিত ২০ প্রতিযোগীকে নিয়ে ২০ দিনের গ্রুমিং বুটক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা শুরুতেই জানানো হয়েছিল। সেখানে অভিনয়, ক্যামেরার সামনে পারফরম্যান্সসহ পেশাদার দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রতিযোগিতার বিচারক ও মেন্টর হিসেবে ছিলেন নির্মাতা অনিমেষ আইচ এবং অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান ও নাজনীন হাসান চুমকী। এপ্রিলের ঘোষণায় তাঁদের এই দায়িত্বের কথা জানানো হয়েছিল।

প্রতিযোগিতা শেষ হলেও নতুন শিল্পীদের কাজের সুযোগ এখানেই শেষ হচ্ছে না। ‘চলো ঘুরে আসি’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত ২০ জনকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এসব চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, মানুষ, সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের গল্প তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে আয়োজকেরা জানিয়েছিলেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো দেশের তুলনামূলক কম পরিচিত বিভিন্ন লোকেশনে নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন অভিনয়শিল্পীদের কাজের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকেও সামনে আনা হবে।

আগস্টের শুরুতে ‘ফেস অব টুমরো ২০২৬’ নিয়ে নির্মিত অনুষ্ঠান নাগরিক টিভিতে প্রচার শুরু হয়। ২ আগস্ট থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠানটি প্রচারের কথা জানিয়েছিল সংবাদমাধ্যমটি।

নতুন শিল্পীদের আবিষ্কার ও তাঁদের বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করার এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিনোদন অঙ্গনে নতুন মুখের পথচলা আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের।

You may also like

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *